মঞ্চই তার ভালোবাসার স্থান

অভিনয় করার ইচ্ছে অনেক ছোট বেলা থেকেই। তিতুমীর কলেজে পড়া অবস্থাতেই একটি সাংস্কৃতিক ফোরামের সঙ্গে যুক্ত হন। পরবর্তীতে প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদলে যোগ দেন শুভেচ্ছা রহমান। শুভেচ্ছার জন্ম মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার কালিয়াকৈর গ্রামে। তবে পিতার চাকরির কারণে তার জন্মের মাত্র ১১ দিন পর পরিবারকে চলে যেতে হয় খুলনায়। সেখানেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। পরবর্তীতে তিতুমীর কলেজ থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেন শুভেচ্ছা।
শুভেচ্ছার মনে অভিনয় করার ইচ্ছে অনেক ছোট বেলা থেকেই। সেই ইচ্ছা পূরণেই প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদলে যোগ দেন ২০০৭ সালে। শুভেচ্ছা ১ম মঞ্চ নাটক করেন ২০০৯ সালে, লোকনায়ক নাটকে। এরপর এ পর্যন্ত প্রাঙ্গণেমোর নাট্যদলের ১০টি নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে কাজ করেছেন তিনি। শুভেচ্ছার প্রিয় অভিনেতা অনন্ত হিরা এবং মামুনূর রশীদ আর প্রিয় অভিনেত্রী নূনা আফরোজ, ফেরদৌসী মজুমদার। অবসর সময়ে ঘুরতে, গান শুনতে বা বই পড়তে ভালোবাসেন শুভেচ্ছা। গরুর মাংস এবং ভুনা খিচুড়ি তার প্রিয় খাবার। অভিনয় জীবনে তার সবচেয়ে বড় পাওয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “শেষের কবিতা” নাটকে লাবন্য চরিত্রে অভিনয় করা। মঞ্চের পাশাপাশি টেলিভিশন নাটক, বিজ্ঞাপনেও কাজ করে চলেছেন শুভেচ্ছা। এছাড়া প্রয়াত নির্মাতা বেলাল আহমেদের সাথে একটি চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালকের কাজ করেছেন তিনি। তবে সবকিছুর উপরে মঞ্চকেই গুরুত্ব দেন শুভেচ্ছা, মঞ্চই তার সবচেয়ে ভালোলাগা এবং ভালোবাসার জায়গা। বর্তমানে নতুন মঞ্চ নাটকের মহড়া এবং কিছু ধারাবাহিক নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শুভেচ্ছা রহমান।

Related Post

‘কঞ্জুস’ খায়রুল আলম টিপু

১৯৮৩ সালে ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায় বন্ধুদের সহযোগীতায়
আরও পড়ুন

Leave a Comment:

Your email address will not be published. Required fields are marked *