আরও অনেক বেশী শিখতে চান এমিলা হক

অভিনয় করার ইচ্ছে অনেক ছোট বেলা থেকেই। তবে নিজের উপর কনফিডেন্ট ছিলো না যে এই পর্যন্ত আসতে পারবেন। অভিনয়ের প্রবল ইচ্ছে থেকে থিয়েটারে যোগদান করেন আর সেখান থেকেই টিভিতে কাজ করার ইচ্ছে জাগে এমিলা হকের। এমিলা হকের জন্মস্থান নীলফামারি জেলার সৈয়দপুর থানায়। ওখানেই বেড়ে ওঠা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। পরবর্তীতে ইডেন মহিলা কলেজ থেকে অনার্স কমপ্লিট করেছেন তিনি। পড়াশোনার ফাঁকেই ২০১২ সালে এক বন্ধুর মাধ্যমে থিয়েটার গ্রুপ নাট্যকেন্দ্রে যোগ দেন তিনি। সেখানে অভিনয় চর্চা করতে করতেই এক সময় সুযোগ হয় টেলিভিশন নাটকে কাজ করার। টেলিভিশনে এমিলার প্রথম কাজ হয় ২০১৩ সালে । সেই থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ টি একক এবং বেশকিছু ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছেন তিনি। কাজের ধারাবাহিকতায় অনেক পরিচালকের সাথেই কাজ করা হয়েছে, তবে তাদের মধ্যে কায়সার আহমেদ, সৈয়দ শাকিল তুলনামূলক ভাবে বেশী প্রিয় এমিলার কাছে। এমিলার প্রিয় অভিনেতা তারিক আনাম খান আর প্রিয় অভিনেত্রী বিপাশা হায়াত। কাজ শুরু করার প্রথম দিকে পরিবার থেকে কিছুটা বাঁধা আসলেও এখন সম্পূর্ন সাপোর্ট পান বলে জানান এমিলা। এমিলা মনে করেন তার এখনো অনেক কিছু শেখার বাকী আছে, অনেক কিছু জানার বাকী আছে। এ যাবত বিভিন্ন চরিত্রে কাজ করেছেন এমিলা হক। তবে তার স্বপ্নের চরিত্রে এখনো কাজ করা হয়নি। আর সেটি হলো, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “হৈমন্তী”। বর্তমান সময়ের নাটক নিয়ে এমিলা বলেন, “ভালো কাজ হচ্ছে। তবে ভিউয়ার কাউন্ট করে কাজ করা উচিত নয়। অভিনয় দিয়ে কাউন্ট করা উচিত। এছাড়া বাজেট বাড়ানো উচিত। তাহলে পরিচালক তার নির্মাণ শৈলী আরো সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।” এমিলা বর্তমানে বেশকিছু ধারাবাহিক নিয়ে ব্যস্ত। এরমধ্যে দীপ্ত টিভির দু’টি ধারাবাহিকে নিয়মিত কাজ করছেন। একটি ‘বকুলপুর’ যার পরিচালক কায়সার আহমেদ। অন্যটি ‘মান অভিমান’ যার পরিচালক আশিষ রয়। এছাড়া সামনে বেশ কিছু একক নাটকেও কাজ করার কথা রয়েছে তার।

Related Post

সিনেমার সুদিন ফিরাতে হলে ভালো গল্পের সিনেমা বানাতে হবে

১৯৭৭ সালে শিবলি সাদিকের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্র কর্মজীবন
আরও পড়ুন

নির্ভরতার প্রতীক গিয়াস

যে কোন প্রোডাকশনের ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে ঐ প্রোডাকশন ভালো
আরও পড়ুন

Leave a Comment:

Your email address will not be published. Required fields are marked *